Back
Home » সংবাদ
মুহূর্তের মধ্যেই গোঁত্তা খেয়ে দু’ভাগ বিমান, কীভাবে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা কেরলে
Oneindia | 7th Aug, 2020 11:20 PM
  • ভারী বৃষ্টিপাত, দৃশ্যমানতা ছিল অতি কম

    ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে ১০ নম্বর রানওয়েতে নামে বিমানটি। তখন দৃশ্যমানতা ছিল অতি কম। সাকুল্যে ২০০০ মিটার দৃশ্যমানতার মধ্যে বিমানটি রানওয়েতে অবতরণ করে। তার ফলেই রানওয়েতে পিছলে যায় বিমানের চাকা। এরপরই রানওয়ের পাশে খাদে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে দু-টুকরো হয়ে যায় বিমানটি।


  • ৩৪ ফুট নীচে স্লিপ রোডে পড়ে যায় বিমানটি

    প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করেছিল বিমানটি। তখন রানওয়ে থেকে ৩৪ ফুট নীচে একটি স্লিপ রোডে পড়ে যায়। তৎক্ষণাৎ গোঁতা খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে বিমানটি এবং দু-টুকরো হয়ে যায়। নিমেষের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটে যায়, পাইলট কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ।


  • সমভূমি সমান স্তরে দৃষ্টি ভ্রম তৈরি হয়

    কোঝিকোড় বিমানবন্দরে একটি ট্যাবলেটপ রানওয়ে রয়েছে, যা একটি টিলা থেকে বেঁকে এসেছে। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই বিমানবন্দরের রানওয়েগুলি যখন কোনও পাইলট অবতরণ করেন, তখন নীচের সমভূমির সমান স্তরে দৃষ্টি ভ্রম তৈরি হয়। ফলে পাইলট কম দৃশ্যমানতায় দেখতে পাননি কোথায় ল্যান্ড করে বিমানটি।


  • রানওয়ে স্পর্শ করার পরে বিপর্যয়

    বিমানটি রানওয়েতে অনেকবার নামার চেষ্টা করেছিল। তারপর ফের উঠে যায় আকাশে। বিমানের বেঁচে যাওয়া যাত্রীরাই জানান, অবতরণের আগে অনেকবার উপরে উঠে গেছে বিমানটি। তারপর অবতরণের সময় স্পষ্টভাবে রানওয়ে স্পর্শ করার পরে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।




তখন মুষলধারে বৃষ্টি চলছিল কেরলের কোঝিকোড়ে। সেইসময়ই বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুবাই থেকে আসা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের এএক্সবি ১৩৪৪, বি৭৩৭ বিমান। বিমান রানওয়েতে নামার পরই মূহূর্তের মধ্য দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিমান চালকসহ কমপক্ষে ১৪ জন মারা গিয়েছে। কিন্তু কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা?